রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আগামী ২৯ থেকে ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত তিন দিনের এই মেলায় ২০টিরও বেশি দেশের পর্যটন খাতসংশ্লিষ্ট অংশীজন অংশ নেবেন।
বিটিটিএফ ২০২৬ নিয়ে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়। টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ বছরের মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের নাম ঘোষণা করা হয়।
আয়োজকদের মতে, আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতসংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর প্রচার, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক তৈরি এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে পর্যটন অংশীদারি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মেলায় চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টির বেশি বুথ ও স্টল থাকবে। এয়ারলাইনস, হোটেল, ট্যুর অপারেটরসহ ২২০টির বেশি প্রদর্শক তাদের পর্যটন পণ্য ও সেবা তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
টোয়াব সভাপতি বলেন, দেশে বিদেশি পর্যটক কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার পেছনে কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে তিনি এসব জটিলতার বিস্তারিত উল্লেখ করেননি। পর্যটন খাতের বিকাশে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার কথা জানান তিনি।
বিটিটিএফ ২০২৬ আয়োজকরা বলছেন, টানা ১৩টিরও বেশি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারের মেলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রচার, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইন ইতিমধ্যে মেলায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে পর্যটন সংস্থা ও ট্যুর অপারেটররা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও এফবিসিসিআই।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে দেশে আরও বিদেশি পর্যটক আসতে পারেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে ব্রুনেই, বাহরাইন ও দিল্লিসহ ১৬টি নতুন গন্তব্যে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো আন্তর্জাতিক রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টোর মতো দীর্ঘপথের আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন।
আরও খবর পড়ুন GreenOnline.bd-এ এবং আমাদের YouTube Community-তে যুক্ত থাকুন।















