আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের আইচি-নাগোয়ায় শুরু হবে ২০তম এশিয়ান গেমস। এবারের প্রতিযোগিতায় ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে বাংলাদেশ। তবে কাবাডি, আরচ্যারি, শুটিং ও ক্রিকেটে পদকের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)।
এশিয়ান গেমস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ও বিওএর সহ-সভাপতি মেজর ইমরোজ আহমেদ (অব.) বলেন, কাবাডি, আরচ্যারি, শুটিং ও ক্রিকেট থেকে পদকের আশা রয়েছে। পাশাপাশি উশু, জুডো ও কারাতেতেও ভালো ফলের প্রত্যাশা করছেন তারা।
এবার বাংলাদেশের ২৬০ সদস্যের কন্টিনজেন্টে থাকছেন ১৮৭ জন অ্যাথলেট ও ৭৩ জন কর্মকর্তা। ক্রিকেট, হকি, ফুটবল, কাবাডি, আরচ্যারি, শুটিংসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে অংশ নেবেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
আবাসন সংকটের কারণে এবার ভিন্ন ব্যবস্থা করেছে আয়োজকরা। অ্যাথলেটদের ক্রুজে থাকা এবারের এশিয়ান গেমসের অন্যতম আলোচিত বিষয়। আরচ্যারি, জিমন্যাস্টিকস, জুডো, কাবাডি, ভারোত্তোলন, রেসলিং, টেবিল টেনিস ও উশুর সদস্যদের জন্য ক্রুজ শিপে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা থাকবেন বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন শুটার আবদুল্লা হেল বাকী ও কারাতেকা হুমায়রা আক্তার অন্তরা। যাদের পরদিন খেলা রয়েছে, তাদের প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে না নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল ১৪ ও ১৭ সেপ্টেম্বর ম্যাচ খেলবে। তাই দলটি আগেই জাপানে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। নারী ও পুরুষ ক্রিকেট দল এবং দুই হকি দলও এশিয়ান গেমসের আগে প্রস্তুতিতে রয়েছে।
বড় কন্টিনজেন্ট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ বলেন, সব দেশ শুধু পদকের জন্য এশিয়ান গেমসে অংশ নেয় না। আন্তর্জাতিক আসরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়।
চার ডিসিপ্লিনে পদকের আশা থাকলেও অন্য খেলাগুলো থেকেও ভালো ফলের প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং কমিটির পাশাপাশি অ্যাথলেটদের অ্যান্টি-ডোপিং, সেফগার্ডিং ও কম্পিটিশন ম্যানিপুলেশন বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: খেলাধুলা | আন্তর্জাতিক
YouTube Community: GreenOnlineBD















