জুলাই আন্দোলনে নিহত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের মৃত্যুর দুই বছর পরও তার পরিবার অর্থকষ্ট ও শোকের মধ্য দিয়ে জীবন পার করছে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ আব্দুল কাইয়ুম-এর মৃত্যু শুধু একজন সন্তানের মৃত্যু নয়, বরং তাদের সব স্বপ্নেরও সমাপ্তি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন শহীদ আব্দুল কাইয়ুম। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার বাবা-মা সাভারের একটি ভাড়া বাসায় সরকারি ভাতা ও সীমিত সহায়তার ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করছেন।
কাইয়ুমের মা জানান, সংসারের প্রধান ভরসা ছিলেন তার ছেলে। টিউশনি, ছোট ব্যবসা ও বিভিন্ন কাজ করে শহীদ আব্দুল কাইয়ুম পরিবারের ব্যয় বহন করতেন। তার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে বাবা-মাকে সুখে রাখা।
পরিবারটি সরকারের মাসিক ভাতা পেলেও তাদের দাবি, বিচারপ্রক্রিয়ায় এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তারা চান প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক, তবে কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তি না পান।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কাইয়ুমের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্র হলের নামকরণ করা হয়েছে শহীদ আব্দুল কাইয়ুম-এর নামে। তবে বাবা-মায়ের ভাষায়, কোনো সহায়তাই তাদের সন্তানের শূন্যতা পূরণ করতে পারেনি। আজও শহীদ আব্দুল কাইয়ুম-এর স্মৃতি নিয়েই তাদের প্রতিদিনের বেঁচে থাকার সংগ্রাম চলছে।
আরও শিক্ষা সংবাদ পড়ুন: শিক্ষা সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community















