ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গবেষণা ইকো-সিস্টেম প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। ঢাবির গবেষণায় জাইকা-র সহযোগিতার বিষয়ে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে জাইকার একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকে আলোচনা হয়।
জাইকার প্রতিনিধি নিশি রিজুকির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলে জাপানের কুমামতো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জাইকার অর্থায়নে ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা সহায়তায় সম্ভাব্য ইয়েন ঋণ প্রকল্প’ শীর্ষক একটি খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়।
আলোচনায় শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণামূলক কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ঢাবির গবেষণায় জাইকা-র সহযোগিতার মাধ্যমে এসব কার্যক্রম আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জাইকার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তৃতীয় ভাষা, জীববিজ্ঞান, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি ও পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো গবেষণাগারভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে জাপানের আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান।
গবেষণা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ যৌথ কর্মসূচি গ্রহণে জাইকার সহযোগিতা চেয়েছেন উপাচার্য। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণেও আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে। ঢাবির গবেষণায় জাইকা-র এই সম্ভাব্য সহযোগিতা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ ও গবেষণাকেন্দ্রের শিক্ষক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ঢাবির গবেষণায় জাইকা সহযোগিতার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন: শিক্ষা সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community












