৪৯তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ইতিহাস বিষয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেও চূড়ান্ত গেজেটে স্থান পাননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানা। চূড়ান্ত ফলে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হলেও প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে ৬১১ জনের নাম রয়েছে। ফলে সাময়িকভাবে মনোনীতদের মধ্যে ৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত গেজেটে নেই।
সোহেল রানা নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ২০২০ সালে স্নাতক এবং ২০২১ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তাঁর স্নাতকে সিজিপিএ ছিল ৩.৫৪ এবং স্নাতকোত্তরে ৩.৫৬।
এর আগে ২০১৪ সালে সোনারায় সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০১৬ সালে রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৯২ অর্জন করেন তিনি।
৪৯তম বিসিএসের ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্য নিয়ে সোহেল রানা জানিয়েছিলেন, তাঁর অর্জনের পেছনে বাবা-মা, শিক্ষক ও পরিবারের অবদান রয়েছে। শিক্ষক হয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ইচ্ছার কথাও তিনি তখন প্রকাশ করেছিলেন।
তবে ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেটে তাঁর নাম না থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সোহেল রানা। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি ৪৯তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার-এ প্রথম হয়েও গেজেটে বঞ্চিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
পিএসসির প্রকাশিত চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের বিভিন্ন পদে ৬৮৩টি শূন্য পদের বিপরীতে ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কয়েকটি পদে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫টি পদে প্রার্থী মনোনয়ন করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তী সময়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে ৬১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর ফলে চূড়ান্ত ফলে সাময়িকভাবে মনোনীত ৬৬৮ জনের মধ্যে ৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত গেজেটে পাওয়া যায়নি।
সোহেল রানার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত গেজেটে নাম না থাকার নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশিত তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
আরও শিক্ষা সংবাদ পড়ুন: শিক্ষা সংবাদ।
ভিডিও আপডেট পেতে GreenOnlineBD YouTube Community-তে যুক্ত থাকুন।















