দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখপাত্রের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কেট জাকারিয়া। কেট জাকারিয়া-র স্বল্প সময়ের এই দায়িত্ব পালন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাকারিয়ার স্থলাভিষিক্ত কাউকে নিয়োগ দিতে তাড়াহুড়ো করতে চান না ট্রাম্প। এর আগে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাকারিয়াকে দায়িত্বে থাকার বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করতে বলেছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, সংবাদমাধ্যমের কারণে জাকারিয়া যেভাবে চাপের মুখে পড়ছেন, তাতে তাকে এভাবে কষ্ট পেতে দেওয়া উচিত নয় বলে তিনি মনে করেন। তিনি জাকারিয়াকে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার ভাবার পরামর্শও দেন। তবে শেষ পর্যন্ত কেট জাকারিয়া পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান।
জাকারিয়া জানান, গত সপ্তাহে তিনি এই পদে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ফোন পেয়েছিলেন। এর আগে তিনি ক্যারোলিন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হন। ট্রাম্প তাকে একজন আইনজীবী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলেও তার আইন পেশায় যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ক্যালিফোর্নিয়ার পেপারডাইন ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের স্নাতক জাকারিয়া বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে জানান, তিনি বার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি।
মাত্র পাঁচ দিনের দায়িত্বকাল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বল্পস্থায়ী নিয়োগের ঘটনা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক অ্যান্থনি স্কারামুচি ১০ দিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই তুলনায় কেট জাকারিয়া-র মেয়াদ ছিল আরও সংক্ষিপ্ত।
আল জাজিরার সংবাদদাতা কিম্বারলি হ্যালকেটের মতে, নিয়োগ ও পদত্যাগের এই ঘটনা ট্রাম্পের জন্য নতুন রাজনৈতিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। নভেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকানদের প্রস্তুতির সময় এ ঘটনা প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন বাড়াতে পারে।
হ্যালকেটের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংকট এবং দায়িত্ব পালনে দুর্বলতার অভিযোগ জাকারিয়ার বিদায়ের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে। তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা জরুরি।
আরও আন্তর্জাতিক খবর পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ
সর্বশেষ খবর পেতে যুক্ত থাকুন: GreenOnline YouTube Community















