টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের চট্টগ্রাম বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে আছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এসব এলাকায় প্রায় আট লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অধিকাংশ এলাকা এখনো প্লাবিত। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশেও একই চিত্র। অনেক পরিবার আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, প্রয়োজনের তুলনায় সহায়তা এখনো অপ্রতুল।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া মৎস্য খাতে প্রায় ৪০ কোটি এবং প্রাণিসম্পদ খাতে প্রায় ২৮ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চট্টগ্রাম বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসন সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
আরও আন্তর্জাতিক খবর পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community













