টানা নয় দিনের বন্যার পর কক্সবাজার বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। জেলার অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ৭০টি ইউনিয়নের প্রায় ৪৯ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ৪৫ হাজার ৪৩৬টি পরিবারের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
গত ৫ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বন্যা ও পাহাড়ধসে জেলায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন রোহিঙ্গা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া উপজেলা। কক্সবাজার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চাল ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখা হয়েছে এবং ইউনিয়নভিত্তিক ট্যাগ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ দিনে কক্সবাজারে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজার বন্যা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে। স্থানীয়রা দ্রুত পুনর্বাসন ও দীর্ঘমেয়াদি বন্যা প্রতিরোধের দাবি জানিয়েছেন।
আরও আন্তর্জাতিক খবর পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community















