জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে। বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩তম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি নিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে বিশ্বব্যাপী তাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার বাড়ছে।
মন্ত্রী জানান, ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স ২০২৬’ অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন কৌশলের অংশ হিসেবে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোর আওতায় ন্যাশনাল অ্যাডাপটেশন প্ল্যান (ন্যাপ) প্রণয়ন করা হয়েছে।
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে বাংলাদেশ থার্ড ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স বা এনডিসি ৩.০ প্রণয়ন করে ইউএনএফসিসিসিতে দাখিল করেছে। এর আওতায় ২০৩৫ সালের মধ্যে নিজস্ব সক্ষমতায় ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা পাওয়া সাপেক্ষে আরও ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে নিঃসরণ কমাতে লং টার্ম লো এমিশন ডেভেলপমেন্ট স্ট্র্যাটেজিস প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে। কার্বন বাজারে অংশগ্রহণ বাড়াতে একটি সমন্বিত কার্বন মার্কেট ফ্রেমওয়ার্কও তৈরি করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার পাশাপাশি জলবায়ু অর্থায়ন ও পরিবেশসম্মত বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community















