জুলাই থেকে কার্যকরের কথা থাকলেও মূল বেতন, ভাতা ও সরকারের আর্থিক সক্ষমতাসহ নানা জটিলতায় নবম পে স্কেল-এর চূড়ান্ত রূপরেখা এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ফলে আগস্টে গেজেট প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় গঠিত সচিব কমিটি আরও দুই থেকে তিনটি বৈঠক শেষে চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দিতে পারে। এরপর মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে নবম পে স্কেল-এর গেজেট প্রকাশ করা হবে।
গত ১৫ জুলাই সচিবালয়ে পর্যালোচনা কমিটির ষষ্ঠ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, অষ্টম পে স্কেলের সীমাবদ্ধতা এবং নতুন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
সূত্র বলছে, শুরুতে দুই ধাপে বাস্তবায়নের আলোচনা হলেও এখন তিন ধাপে বাস্তবায়নের বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন এবং পরবর্তী দুই ধাপে বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সুবিধা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নীতিগতভাবে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন এবং ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ইএফটি ও আইবাস++ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় সফটওয়্যার কাঠামো পরিবর্তনসহ প্রযুক্তিগত জটিলতাও রয়েছে।
একটি সূত্রের মতে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অন্য একটি সূত্রের দাবি, অক্টোবরের আগে গেজেট জারির সুযোগ কম। প্রস্তাবিত ২০টি গ্রেড বহাল রাখার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব থাকলেও সরকারের আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী পরিবর্তন আসতে পারে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা সচিব কমিটির পরবর্তী বৈঠকের অপেক্ষায় রয়েছেন। নবম পে স্কেল-এর গেজেট কবে প্রকাশ হবে, তা নির্ভর করছে কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের ওপর।
আরও পড়ুন: শিক্ষা সংবাদ
Read & Join us: YouTube Community















