কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ‘কমভিউ কনফেকশনারি’ নামের একটি দোকান পুড়ে গেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী, প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান স্বত্বাধিকারী মমিনুল ইসলাম। পরে রাতে ওষুধ কিনতে বাজারে আসা এক ক্রেতা দোকানে আগুন জ্বলতে দেখে দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন।
খবর পেয়ে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ততক্ষণে দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। লাকসাম জংশন বাজারে অগ্নিকাণ্ড বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাজারকে রক্ষা করেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
দোকানটি কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে সড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়।
অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী মো. মমিনুল ইসলাম। তার দাবি, নগদ টাকা, মালামাল ও আসবাবপত্রসহ দোকানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘদিনের সঞ্চয়, ঋণ ও ব্যবসার মূলধন দিয়ে সংগ্রহ করা মালামাল আগুনে পুড়ে যাওয়ায় নতুন করে ব্যবসা শুরু করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন লাকসাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মজির আহমেদ এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মশু। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন পরিদর্শক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে লাকসাম জংশন বাজারে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ
আমাদের ইউটিউব কমিউনিটিতে যুক্ত থাকুন: YouTube Community















