ইরানে স্থল অভিযান চালালে ‘মরণফাঁদে’ পড়ার শঙ্কা মার্কিন বাহিনীর

৮৪
US ground operation Iran risks 2026, ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের শঙ্কা, Iran Mosaic Defense strategy vs USA, Persian Gulf strategic islands conflict, Daniel Davis and Kalev Sepp military analysis
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের কৌশলগত দ্বীপগুলো দখলের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য স্থল অভিযান চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাবেক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকেরা। এমন অভিযান মার্কিন সেনাদের জন্য ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা জানান, ইরানের ওইসব স্থানে মার্কিন মেরিন সেনা ও প্যারাট্রুপারদের রসদ সরবরাহব্যবস্থা থাকবে অরক্ষিত আর কৌশলগত লক্ষ্যগুলোও অস্পষ্ট। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই– এর এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

    সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা ও দ্বীপগুলোর গুরুত্ব

    প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য মার্কিন অভিযানের শুরুতেই ইরানের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অচল করতে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনা করা হতে পারে। এরপর ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু দুর্বল করার পরিকল্পনা থাকতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের প্রস্তুতিমূলক হামলার পর মার্কিন বাহিনীর মূল চ্যালেঞ্জ শুরু হবে স্থল অভিযানে। প্রথমে মার্কিন বাহিনী খারগ, আবু মুসা ও কেশম দ্বীপসহ ইরানের কয়েকটি কৌশলগত স্থানে অভিযান চালাতে পারে। এর মধ্যে খারগ দ্বীপ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখান থেকেই ইরানের অধিকাংশ তেল রপ্তানি হয়। তবে কেশম দ্বীপের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ও ড্রোন মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় বাধা হবে।

    ‘মোজাইক ডিফেন্স’ ও রসদ সরবরাহের ঝুঁকি

    মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ড্যানিয়েল ডেভিসের ভাষ্য, এখানে একমাত্র বাস্তবসম্মত উপায় হলো আকাশপথে অভিযান। তবে হেলিকপ্টারে নামা সেনারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকবে। বর্তমানে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ৩ হাজার ছত্রীসেনা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইরানের সম্ভাব্য প্রতিরোধ কৌশল হিসেবে ‘মোজাইক ডিফেন্স’ বা বিকেন্দ্রীভূত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে স্থানীয় কমান্ডাররা স্বাধীনভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন। সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা কালেভ সেপ সতর্ক করে বলেন, একবার সেনারা অবস্থান নিলে তাদের টিকিয়ে রাখাই বড় সমস্যা হবে এবং পরিস্থিতি অনেকটা ‘শুটিং গ্যালারি’ বা মরণফাঁদের মতো হয়ে যেতে পারে।


    বিস্তারিত পড়ুনঃ অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।