সঠিক পরিচর্যা পেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুরাও হবে দেশের সম্পদ : ডিসি ফরিদা

৬৯
Dhaka DC Farida Khanam special needs children child development disability support বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী শিশু মায়ার বাঁধন
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও উপযুক্ত সুযোগ পেলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে পরিণত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার প্রশাসক ফরিদা খানম।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে প্রতিবন্ধী শিশু উন্নয়ন সংগঠন ‘মায়ার বাঁধন’-এর ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিশুদের মাঝে খাবার ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    ফরিদা খানম বলেন, প্রতিবন্ধকতা কখনোই মানুষের মেধা, প্রতিভা ও সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করতে পারে না। বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের মেধা ও স্বপ্নকে থামিয়ে দিতে পারে না।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের এই শিশুদের মধ্যেও অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা যদি তাদের সীমাবদ্ধতার পরিবর্তে সক্ষমতা ও প্রতিভাকে গুরুত্ব দিই এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করি, তাহলে তারাও একদিন পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য গর্বের কারণ হয়ে উঠবে।’

    জেলা প্রশাসক বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি করুণা নয়, প্রয়োজন সম্মান, ভালোবাসা ও সুযোগ। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগে তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ভবিষ্যৎ তাদের প্রতিবন্ধকতা দিয়ে নয়, বরং সঠিক পরিচর্যা ও সুযোগ দিয়ে গড়ে উঠতে পারে।

    ‘মায়ার বাঁধন’-এর এক দশকের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ফরিদা খানম বলেন, সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের মমতা ও যত্নে আগলে রাখার পাশাপাশি তাদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। স্থায়ী ও নিরাপদ আবাসন গড়ে তোলার উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এ সময় জেলা প্রশাসক অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে আর্থিক অনুদান এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে ‘মায়ার বাঁধন’-এর সভাপতি ফওজিয়া ইয়াসমীন, অভিভাবক, সংগঠনের সদস্য ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা উপস্থিত ছিলেন।

    আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে ৯৬ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১৬ জন এতিম এবং ১১ জনের শুধু মা রয়েছেন। শিশুদের মাঝে খাবার ও উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা সংবাদ

    Read & Join us: YouTube Community

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।