যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের মান কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে অক্টোবরে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াবে না—এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে বিবেচিত সোনার দাম বিশ্ববাজারে বেড়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০৯ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৪১ দশমিক ৯০ ডলারে পৌঁছেছে।
ব্যবসায়ী তাই ওং বলেন, ফেডারেল রিজার্ভ বর্তমানে মূল্যস্ফীতির ওপর নজর রাখছে। তার মতে, সাম্প্রতিক তথ্য অক্টোবরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আরও কমাতে পারে, যা সোনার দাম বাড়ার পেছনে গতি তৈরি করছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ১৫ ডলারে নেমেছে। অন্যদিকে প্ল্যাটিনামের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭১১ দশমিক ৭৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ২২১ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
দেশের বাজারেও সোনার দাম উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্ববাজারের সোনার দাম সম্পর্কে আরও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক খবর জানতে আন্তর্জাতিক সংবাদ বিভাগ দেখুন।















