কোহাট মসজিদ হামলায় পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কে নতুন সংকট

৫২
পাকিস্তানের কোহাটে মসজিদে হামলার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের নতুন সংকট
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাটে মসজিদ ও পুলিশ কমপ্লেক্সে হামলার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবারের নামাজের সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি দিয়ে হামলার পর দীর্ঘ সময় ধরে নিরাপত্তা বাহিনী ও হামলাকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে হতাহতের সংখ্যা ভিন্নভাবে দেওয়া হয়েছে; পরবর্তী প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ৩১ জন পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।

    কোহাট হামলার ঘটনায় পাকিস্তানি কর্মকর্তারা আফগানিস্তানে থাকা জঙ্গি আস্তানার অভিযোগ তুলেছেন। তবে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে ঘটনাটি দুই দেশের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ তৈরি করেছে। :contentReference[oaicite:০]{index=০}

    হামলার দায় স্বীকারের বিষয়ে শুরুতে কোনো গোষ্ঠী তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব নেয়নি। পরে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি) নামের একটি গোষ্ঠীর দায় স্বীকারের কথা উল্লেখ করা হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে সংগঠনটিকে পাকিস্তান তালেবান বা টিটিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। :contentReference[oaicite:১]{index=১}

    ঘটনার পর পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকটও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তান টিটিপিসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আফগান ভূখণ্ডে আশ্রয়ের অভিযোগ করে আসছে। অন্যদিকে কাবুল এসব অভিযোগের বিভিন্ন অংশ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

    কোহাট হামলার পর পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানও শেষ হয় দীর্ঘ বন্দুকযুদ্ধের পর। ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানে আট হামলাকারী নিহত হয় এবং পরে হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৩ জনে পৌঁছায়। অন্য আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে পরবর্তী সময়ে মোট নিহতের সংখ্যা ৩১ জন বলা হয়েছে—ফলে হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। :contentReference[oaicite:২]{index=২}

    এই কোহাট হামলা পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা এবং পারস্পরিক অভিযোগকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করবে হামলার তদন্ত, দায়ীদের পরিচয় এবং সীমান্তপারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নিয়ে দুই দেশের পদক্ষেপের ওপর।

    আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সংবাদ

    আপডেট পেতে: GreenOnlineBD YouTube Community

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।