প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কারণে মূল্যস্ফীতি হবে না। বরং এই উদ্যোগের ফলে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি সচল হবে। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান সরকার এই কার্ডের জন্য নতুন করে টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছে না। ফলে বাজারে অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতি হওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ বা সুযোগ নেই। এই টাকাগুলো প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক ও নারীরা সরাসরি দেশের ভেতরেই ব্যয় করবেন। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ এবং গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
পর্যায়ক্রমিকভাবে অধিক সংখ্যক নারীকে ফ্যামিলি কার্ড এবং পুরুষদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। একবারে সবাইকে কার্ড দেওয়া সম্ভব নয় বলে এটি প্রতি মাসে সম্প্রসারণ করা হবে। সরকার প্রতিটি বাজেটে এই খাতের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এতে স্থানীয় মুদি দোকানদার থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা উপকৃত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন একজন নারী এই টাকা দিয়ে ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় শিল্পের পণ্যের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ স্থানীয় শিল্পের পণ্য ব্যবহার করে থাকে। ফলে এই উদ্যোগ দেশীয় শিল্পকেও আরও শক্তিশালী করবে।
তারেক রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী কয়েক বছরে বড় পরিবর্তন আসবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। সরকার মনে করে এই অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।















