প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার রাতে হোয়াইট হাউস থেকে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন ইরান যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে। মার্কিন বাহিনী ইতোমধ্যে সেখানে বিশাল জয় অর্জন করেছে বলে তিনি জানান। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহ অত্যন্ত ভয়াবহ হামলা চলবে।
ট্রাম্প জানান আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ ব্যাপক আক্রমণ চলবে। ইরান আলোচনায় না বসলে বিদ্যুৎ ও তেল কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। তিনি ইরানকে পাথর যুগে পাঠিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
এক মাস পার হওয়া এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিনরা কিছুটা চিন্তিত। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প অতীতের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের সাথে এই অভিযানের তুলনা করেছেন। তিনি দাবি করেন মাত্র ৩২ দিনে ইরানকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে।
ভাষণে ট্রাম্প জানান ইরানের আগের সব উগ্র নেতা মারা গেছেন। বর্তমান নেতৃত্ব অনেক বেশি যুক্তিসঙ্গত এবং আলোচনার যোগ্য বলে মনে করেন। তবে কোনো চুক্তি না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে। সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র একসঙ্গে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতার প্রশংসা করে তিনি শত্রু দমনের কথা বলেন। যুদ্ধে নিহত ১৩ জন মার্কিন সেনার প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ট্রাম্প দাবি করেন তার হস্তক্ষেপেই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল টিকে আছে। তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়েও দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার জন্য তিনি ইরানকে সরাসরি দায়ী করেছেন। আন্তর্জাতিক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলার কারণেই এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে বলে তিনি জানান। ট্রাম্প অন্য দেশগুলোকে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাগিদ দেন। অন্যথায় মার্কিন সাহায্য বন্ধ করারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।















