দীর্ঘ দুই দশক পর পৈতৃক ভিটায় ফিরে এসে এক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জিয়াবাড়ি সফর আবেগ ঘিরে বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ী এলাকায় পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছ্বাস ও আবেগের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
সোমবার বিকেলে তিনি জিয়াবাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘদিন পর তাকে কাছে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং তার সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্ত ধারণ করতে সেলফি তোলেন। এই জিয়াবাড়ি সফর আবেগ শুধু পারিবারিক নয়, স্থানীয় মানুষের কাছেও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
তারেক রহমান বাড়ির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং বাবার ব্যবহৃত পুরোনো ঘরে কিছু সময় কাটান। সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে জিয়াউর রহমানের ব্যবহৃত খাট, ড্রেসিং টেবিল ও অন্যান্য আসবাব, যা অতীতের স্মৃতি বহন করে। এসব দেখে তিনি স্পষ্টতই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে তিনি বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্থানীয়দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং দীর্ঘদিন পর নিজের এলাকায় ফিরে আসতে পেরে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বাড়িটি প্রায় ১৩০ বছরের পুরোনো। ১৮৯৫ সালে নির্মিত এই বাড়ি পরবর্তীতে সংস্কার করা হলেও এখনো এর পুরোনো স্থাপত্যের ছাপ বিদ্যমান রয়েছে।
জিয়াউর রহমানের শৈশবের স্মৃতি জড়ানো এই বাড়িতে ফিরে আসা তারেক রহমানের জন্য যেমন আবেগঘন, তেমনি পরিবারের সদস্যদের কাছেও এটি একটি স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। জিয়াবাড়ি সফর আবেগ তাই এখন রাজনৈতিক ও পারিবারিক উভয় দিক থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।















