১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের

৯৬
133 Ordinances - ১৩৩টি অধ্যাদেশ - Opposition Leader Seeks Parliament Debate 2026
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • ১৩৩টি অধ্যাদেশ: অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বিস্তারিত জানুন।

    জুলাই স্পিরিটের আলোকে ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাইয়ের দাবি ডা. শফিকুর রহমানের

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ চেয়েছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করার জন্য যে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাদের রিপোর্টে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বিলুপ্ত (ল্যাপস) করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমানের মতে, এই অধ্যাদেশগুলো ‘জুলাই স্পিরিটের’ সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আমরা আগের নোটিশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছি, যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ ল্যাপস করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তার প্রতিটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই বিষয়ে সংসদে উন্মুক্ত আলোচনা করতে চাই যাতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো হারিয়ে না যায়।” তিনি বর্তমান সংসদীয় কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত বিলগুলো এই অধ্যাদেশ থেকে উৎসারিত কি না, তা নিয়েও স্পষ্টীকরণ দাবি করেন। তাঁর এই অনড় অবস্থানের ফলে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে সংসদে নতুন করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে।

    আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ও সংসদীয় প্রক্রিয়া

    বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নের মুখে আইনমন্ত্রী শুরুতে জানান যে বর্তমান বিলগুলো ১৩৩টি অধ্যাদেশ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে আসরের নামাজের বিরতির পর তিনি তাঁর বক্তব্যে সংশোধন এনে স্বীকার করেন যে, বিল দুটি ওই অধ্যাদেশগুলোর মধ্যেই ছিল। আইনমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, প্রতিটি অধ্যাদেশই বিল আকারে সংসদে উত্থাপিত হবে এবং প্রথম ও দ্বিতীয় পাঠের সময় সংসদ সদস্যরা আলোচনার পর্যাপ্ত সুযোগ পাবেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ জানান যে, আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যে প্রায় ৯৩টি বিল পাস করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং সেখানে সব সদস্যের বক্তব্য গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

    ডা. শফিকুর রহমানের এই প্রস্তাব ১৩৩টি অধ্যাদেশ এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বজায় রাখতে এই আইনি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। এই ঘটনার আরও আপডেট পেতে ভিজিট করুন আমাদের জাতীয় রাজনীতি বিভাগ এবং সর্বশেষ ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।