ট্রাম্প মানসিক ভারসাম্যহীন: ইরান নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকিকে ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির প্রলাপ’ বলে অভিহিত করেছেন বার্নি স্যান্ডার্স। বিস্তারিত জানুন।
ইরান যুদ্ধ ও ট্রাম্পের হুমকি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য জ্যেষ্ঠ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের
ইরানকে দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সামরিক হুমকির তীব্র সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ও জ্যেষ্ঠ সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোকে ‘বিপজ্জনক এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মতো প্রলাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। রোববার (৫ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। ট্রাম্প ইরানকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে তাদের ‘নরকের মতো পরিস্থিতিতে’ বাস করতে হবে এবং তিনি মঙ্গলবারকে ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ব্রিজ ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটেই স্যান্ডার্স তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
স্যান্ডার্স তাঁর এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, “ইরানে যুদ্ধ শুরু করার মাত্র এক মাস পার হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এমন বিবৃতি আসছে! এটি একজন বিপজ্জনক এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির মতো আচরণ।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইস্টার সানডের মতো একটি পবিত্র দিনে প্রেসিডেন্ট যে ধরনের আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তিকে বিশ্বজুড়ে চরম সংকটে ফেলেছে।
কংগ্রেসের প্রতি যুদ্ধ বন্ধের জরুরি আহ্বান
শুধুমাত্র মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই স্যান্ডার্স ক্ষান্ত হননি; তিনি মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কংগ্রেসকে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই অসাংবিধানিক যুদ্ধ এখনই বন্ধ করুন।” স্যান্ডার্সের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যার ফলে ইতিমধেই বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।
স্যান্ডার্স মনে করেন, ট্রাম্পের এই খামখেয়ালি আচরণ আন্তর্জাতিক আইন ও জেনেভা কনভেনশনের চরম লঙ্ঘন। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই যুদ্ধ বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে যা ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মানসিক ভারসাম্যহীন প্রলাপের কারণে মিত্র দেশগুলোও এখন যুক্তরাষ্ট্রের পাশ থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা করছে। এই ঘটনার আরও আপডেট এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির খবর পেতে ভিজিট করুন আমাদের আন্তর্জাতিক সংবাদ বিভাগ এবং সর্বশেষ ভিডিওর জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।















