তারেক রহমান আই হ্যাভ এ প্ল্যান বাস্তবায়নে এবার কঠোর অবস্থানে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি দলীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া গোয়েন্দা নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের প্রথম দুই মাসেই বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যের ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা হয়েছে।
সুশাসন ও তারেক রহমান আই হ্যাভ এ প্ল্যান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, দুর্নীতি, পেশিশক্তি বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান আই হ্যাভ এ প্ল্যান এর মূল লক্ষ্যই হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা এবং ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত সুবিধার হাতিয়ার না করে আমানত হিসেবে দেখা। বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর পদক্ষেপ দেশে সুশাসন এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
লন্ডনে ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারেক রহমান আই হ্যাভ এ প্ল্যান বা নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা বাস্তবায়নে তিনি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকদেরও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক অপসারণের নীতিতে অটল রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান আই হ্যাভ এ প্ল্যান এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সংস্কারমূলক খবরের সবশেষ আপডেট পেতে ভিজিট করুন আমাদের জাতীয় ডেস্ক এবং নিয়মিত ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।















