ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের ইরানি উপকূলীয় এলাকায় এই আনুষ্ঠানিক অবরোধ শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বিশ্বের যেকোনো দেশের পতাকাবাহী জাহাজ ইরানের বন্দরের দিকে যাতায়াত করলে তাকে আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেন্টকমের অভিযান ও ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র
সেন্ট্রাল কমান্ড মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র মূলত দেশটির অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতাকে আঘাত করার জন্য। তারা স্পষ্ট করেছে যে, অনুমতি ছাড়া অবরোধকৃত এলাকায় কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে সেটিকে মাঝপথে আটক বা জব্দ করা হতে পারে। তবে ইরান বাদে উপসাগরীয় অন্যান্য দেশের বন্দরে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে এই অবরোধ কার্যকর হবে না বলে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে।
এদিকে, ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র—এমন পদক্ষেপকে ‘সামুদ্রিক দস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। বাহিনীর এক মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পারস্য উপসাগরের সব বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না। উল্লেখ্য, বিশ্বের ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহকারী হরমজ প্রণালী গত ফেব্রুয়ারি থেকেই উত্তপ্ত। মার্কিন এই নৌ-অবরোধ বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইরানের বন্দর অবরুদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র এবং বৈশ্বিক সমরনীতির সবশেষ খবরের জন্য ভিজিট করুন আমাদের আন্তর্জাতিক ডেস্ক এবং নিয়মিত ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান















