ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত: ২ ক্রুকে উদ্ধারে রুদ্ধশ্বাস অভিযান, চরম উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্য

৯৭
US F-15E Strike Eagle downed Iran April 2026, 494th Fighter Squadron jet crash Khuzestan, US combat search and rescue mission Iran war, President Trump Truth Social warning Iran bridges, ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত ও উদ্ধার অভিযান।
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি F-১৫E স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন কর্মকর্তারা এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিমানের দুই ক্রু সদস্যকে উদ্ধারে বর্তমানে খুজেস্তান প্রদেশে একটি বড় ধরনের ‘কমব্যাট সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অভিযান চলছে। গত পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধে এটিই প্রথম কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান যা সরাসরি ইরানের ভেতরে ভূপাতিত হলো।

    বিধ্বস্ত বিমানটি মার্কিন বিমান বাহিনীর ৪৯৪তম স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মার্কিন C-১৩০J এবং HH-৬০ পেভ হক হেলিকপ্টার ইরানি ভূখণ্ডের ওপর নিচু দিয়ে উড়ে পাইলটদের খুঁজছে। একটি ইজেকশন সিটের ছবি পাওয়া যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে অন্তত একজন পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হতে পেরেছেন।

    ইরানের ভেতরে রুদ্ধশ্বাস উদ্ধার অভিযান ও পাইলটদের পরিণতি

    ইরানি গণমাধ্যম দাবি করেছে যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই যুদ্ধবিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। খুজেস্তান প্রদেশের লালি শহরের কাছে উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারগুলোকে মাঝ-আকাশে জ্বালানি নিতে দেখা গেছে। ইরান সরকার ইতিমধ্যে পাইলটদের জীবিত ধরে দিতে পারলে বড় অংকের পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এতে উদ্ধার অভিযানের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

    পেন্টাগন এখন পর্যন্ত পাইলটদের অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম কয়েক ঘণ্টা উদ্ধার অভিযানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনার ফলে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। মার্কিন বাহিনী তাদের পাইলটদের উদ্ধারে যেকোনো উচ্চমূল্য দিতে প্রস্তুত বলে জানা গেছে।

    ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি ও অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি

    এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এক কড়া বার্তায় বলেছেন, “এটি কেবল শুরু।” তিনি ইরানের সেতু এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করার সরাসরি হুমকি দিয়েছেন। এর আগে ইরানের একটি বড় সেতু ধ্বংস করার পর তেলের দাম বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১১০ ডলার ছুঁয়েছে।

    পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘমেয়াদী এবং ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

    বিস্তারিত পড়ুনঃ অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।