মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি খরচ কমাতে এবং অসহনীয় যানজট এড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, রাস্তায় যানবাহনের চাপ কমাতে পারলে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ অনেকাংশেই কমে আসবে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও প্রতিবেশী দেশগুলোর অবস্থা
জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে নানা কৌশল গ্রহণ করেছে। ফিলিপাইনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং পাকিস্তানে অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ৩২২ রুপিতে পৌঁছেছে। ভারতেও তেলের দাম বৃদ্ধি ও দীর্ঘ লাইনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশেও যদি পরিকল্পিত ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস ব্যবস্থা চালু না করা হয়, তবে সংকট আরও গভীর হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অফিস-আদালত ও স্কুল-কলেজ পূর্ণদমে চালু থাকলে বিদ্যমান জ্বালানি সরবরাহ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞ মতামত ও শিখন ঘাটতি পূরণের চ্যালেঞ্জ
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ এ প্রসঙ্গে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হলে জ্বালানি খাতের ওপর চাপ বাড়বে। তবে কোভিডের সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি যে অনলাইন ক্লাসে বড় ধরনের শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। তাই তিনি আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিবর্তে সময় পরিবর্তন বা অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত (Hybrid) পদ্ধতিতে পাঠদানের পরামর্শ দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের উচিত অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে এখনই একটি টেকসই পরিকল্পনা তৈরি করা।
বিস্তারিত পড়ুনঃ অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন















