শর্ত মানলেই আলোচনা: উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে ইরান

৮৭
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা Mohammad Baqher Ghalibaf JD Vance Islamabad Peace Talks 2026
খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • ইসলামাবাদ আলোচনা: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমঝোতার লক্ষ্যে বড় এক প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তবে আলোচনার আগেই ওয়াশিংটনের সামনে একগুচ্ছ শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান। বিস্তারিত পড়ুন।

    তেহরানের শর্ত ও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: উত্তপ্ত ইসলামাবাদ

    শনিবারের (১১ এপ্রিল ২০২৬) নির্ধারিত বৈঠকের আগে শুক্রবার ইসলামাবাদে পৌঁছান ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। সেখানে পৌঁছেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ইরান আলোচনায় ইচ্ছুক হলেও আমেরিকার ওপর তাদের কোনো আস্থা নেই। গালিবাফ দাবি করেন, ইসলামাবাদ আলোচনা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই ইরানের ‘পূর্বশর্ত’ মেনে নিতে হবে। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্তি দেওয়া। গালিবাফের সাথে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরসহ একটি শক্তিশালী প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফরে এসেছেন।

    অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও শুক্রবার ওয়াশিংটন ত্যাগ করেন। যাত্রার আগে তিনি তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, আলোচনার টেবিলে আমেরিকার সাথে যেন কোনো ‘খেলা’ না খেলা হয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন যে, ইরানের হাতে বর্তমানে কোনো ‘কার্ড’ বা শক্তি নেই। ট্রাম্পের মতে, ইসলামাবাদ আলোচনা সফল না হলে হর্মুজ প্রণালী ইরানের সাহায্য ছাড়াই বা তাদের ছাড়াই খুলে দেওয়া হবে। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, আলোচনা ব্যর্থ হলে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো তাদের উন্নত অস্ত্র দিয়ে ইরানে পুনরায় আঘাত হানবে।

    শান্তি চুক্তির কেন্দ্রে ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ ও হর্মুজ প্রণালী

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে ‘মেক অর ব্রেক’ বা চূড়ান্ত সন্ধিক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্প গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি সম্ভাব্য চুক্তির ক্ষেত্রে তার মূল দাবি হলো—ইরানের হাতে কোনো ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ থাকতে পারবে না। হর্মুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে ইরানের পক্ষ থেকে ফি আদায়ের খবর পুরোপুরি নিশ্চিত না হলেও ট্রাম্প জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পানিসীমায় এমন কর্মকাণ্ড তিনি সহ্য করবেন না। ইসলামাবাদ আলোচনা যদি কোনো টেকসই সমাধান দিতে না পারে, তবে ট্রাম্পের ‘মিলিটারি রিসেট’ পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরান আরও বড় সামরিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

    ইসলামাবাদ আলোচনা এবং ইরান-মার্কিন সংকটের প্রতি মুহূর্তের খবরের জন্য ভিজিট করুন আমাদের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিভাগ এবং নিয়মিত ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।

    খবরটি ইংরেজিতে পড়ুন:
  • SdWjYjAAZtvRPgHJX4Xio+DSrkAAAAASUVORK5CYII=English
  • মন্তব্য করুন

    অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!!
    অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন।