ইসরায়েলে ৭ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। মাত্র ১০ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই হামলা সম্পন্ন হয়েছে। আল জাজিরা ও সিএনএন গত মধ্যরাত থেকে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলে সাত দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তেহরান এই অভিযানের মাধ্যমে তাদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।
তেল আবিব ও ডিমোনা শহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তেল আবিব শহরকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলে ৭ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলাকালে দেশটির প্রতিরক্ষা সাইরেনগুলো একটানা বাজছিল। সর্বশেষ দফায় তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ডিমোনা শহরে আঘাত হেনেছে। এতে নাগরিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।
ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আইডিএফ দ্রুত উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছে। তেল আবিবে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আগুন ধরে গেছে। ইসরায়েলে সাত দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তবুও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। এই হামলার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের পাল্টা বিমান হামলা
ইসরায়েলি বিমান বাহিনীও বসে নেই এবং তারা পাল্টা জবাব দিচ্ছে। গত রাতে তারা ইরানের অভ্যন্তরে ৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলে সাত দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর প্রতিক্রিয়ায় এই বিমান অভিযান চালানো হয়। আইডিএফ দাবি করেছে যে তারা এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। মূলত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
বিশ্ব রাজনীতিতে এই সংঘাতের গভীর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলে সাত দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর দুই দেশই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই যুদ্ধের কারণে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা না করার দাবি করেছে উভয় দেশের সামরিক বাহিনী। এই সংঘাতের সর্বশেষ খবরের জন্য আমাদের সাথে থাকুন।
আরও পড়ুন অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন















