নাসার আর্টেমিস ২ মিশনের ( আর্টেমিস ২ চন্দ্র অভিযান ২০২৬) নভোচারীরা সফলভাবে মহাকাশে পৌঁছেছেন। এখন তারা মহাকাশে তাদের প্রথম দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন। চাঁদের দিকে রওনা হওয়ার আগে ওরিয়ন ক্যাপসুলটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় এই ঐতিহাসিক মিশনের উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়।
দীর্ঘ ৫৩ বছর পর এটিই প্রথম সশরীরে পরিচালিত চন্দ্র অভিযান। এই মিশনে চারজন নভোচারী অংশগ্রহণ করছেন। তারা হলেন রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং জেরেমি হ্যানসেন। তারা পৃথিবী থেকে রেকর্ড পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করবেন।
আর্টেমিস ২ মিশনটি সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবে না। তারা চাঁদের চারপাশ দিয়ে একটি লুপ বা চক্কর দেবে। ওরিয়ন ক্যাপসুলের জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলো এখন পরীক্ষা করা হচ্ছে। নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান একে বড় এক সূচনা বলেছেন।
কমান্ডার ওয়াইজম্যান জানান প্রথম ২৪ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখছেন। নভোচারীরা মহাকাশে খাবার ও শৌচাগার ব্যবহারের বিষয়গুলোও যাচাই করছেন। তবে শৌচাগার ব্যবস্থায় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে।
পাইলট ভিক্টর গ্লোভার ওরিয়ন ক্যাপসুলের ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তিনি জানান যানটি নকশা অনুযায়ী সঠিকভাবে উড়ছে। ইঞ্জিনিয়াররা শৌচাগার মেরামতের পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত কাজ করছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যানটি চূড়ান্তভাবে চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করবে।
আগামী ১০ এপ্রিল ওরিয়ন ক্যাপসুলটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করবে। ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে এটি ল্যান্ড করার কথা রয়েছে। এই মিশনটি ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী বসবাসের পথ প্রশস্ত করবে। নাসা এই অভিযান নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।















