ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২৯ মার্চ জানিয়েছেন যে, তিনি দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদার ও সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আমি বিদ্যমান নিরাপত্তা অঞ্চলটি আরও সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছি।” গত ২৮ ফেব্রুয়ারি অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ-এর মধ্যে সীমান্ত সংঘাত তীব্রতর হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলে নিরাপত্তা ফেরানোর প্রত্যয়
নেতানিয়াহু বলেছেন, “আমরা উত্তর অঞ্চলের পরিস্থিতি আমূল পরিবর্তন করতে এবং সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, ইসরায়েলি বসতি ও নাগরিকদের ওপর ক্রমাগত হুমকি তারা সহ্য করবেন না। অন্যদিকে, লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম ইসরায়েলের এই বাফার জোন তৈরির প্রচেষ্টাকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ এবং লেবাননের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
হতাহত ও মানবিক বিপর্যয়
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় ১,১৪২ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১২২ জন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন ৩,৩০০-এর বেশি মানুষ। এই সংঘাতের ফলে লেবাননের ১৫ শতাংশেরও বেশি মানুষ (প্রায় ১০ লাখ) ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। জেজিন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর আল-মানার টিভির সংবাদদাতা আলী শুয়েবসহ তিন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৫১ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস অবিলম্বে স্বাস্থ্য স্থাপনায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
বিস্তারিত পড়ুনঃ অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন















