হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কড়া সামরিক পদক্ষেপের কথা জানান। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী অবিলম্বে এই অবরোধ কার্যকর করবে এবং ইরানকে টোল পরিশোধ করা জাহাজগুলোকে বাধা প্রদান করা হবে।
পারমাণবিক বিরোধ ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধের নেপথ্য কারণ
ইসলামাবাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অধিকাংশ বিষয়ে ঐকমত্য হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘পারমাণবিক’ ইস্যুটিতে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান পারমাণবিক শক্তি অর্জনের পথ পরিহার করতে রাজি না হওয়ায় কোনো চুক্তি সম্ভব হয়নি। ট্রাম্পের মতে, সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে ভালো প্রস্তাব টেবিলে থাকলেও ইরানের অনড় অবস্থানের কারণে কূটনৈতিক সমাধানের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারের কাছ থেকে ব্রিফিং নেওয়ার পর ট্রাম্প জানান, অনির্ভরযোগ্য মানুষের হাতে পারমাণবিক শক্তি থাকতে দেওয়া সম্ভব নয়। এই হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের ঝুঁকি আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেল। ওয়াশিংটন এখন ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনকে তাদের প্রধান নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখছে এবং এই অবরোধের মাধ্যমে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার লক্ষ্য নিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ এবং বিশ্ব রাজনীতির সবশেষ খবরের জন্য ভিজিট করুন আমাদের আন্তর্জাতিক ডেস্ক এবং নিয়মিত ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।










