উদ্ধার অভিযান ও রেলওয়ের তৎপরতা
আজ সকাল সাড়ে ৮টায় আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন পৌঁছায়। কর্মীরা দ্রুত দুর্ঘটনাকবলিত ঢাকা মেইল ট্রেনটি উদ্ধার করেন। এরপর তারা লাইনে আটকে থাকা বাসটি সরিয়ে নেন। সকাল সাড়ে ১০টার পর ট্রেন চলাচল শুরু হলে স্বস্তি ফেরে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা পুরো সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার দিবাগত রাত ৩টায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। একটি যাত্রীবাহী বাসকে ঢাকা অভিমুখী মেইল ট্রেনটি ধাক্কা দেয়। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার আগে এলাকাটি থমথমে ছিল।
দুর্ঘটনার আপডেট ও বর্তমান পরিস্থিতি
এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারীরা প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে তারা আরও কয়েকজনের সন্ধান পান। ফায়ার সার্ভিস এবং সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে বড় ভূমিকা রাখে। পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটি বাসটিকে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায়। এতে বাসের যাত্রীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং প্রাণ হারান। রেল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। ট্রেন চলাচলের খবরে যাত্রীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা রেলক্রসিংয়ে সতর্কতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন অথবা আমাদের ফেসবুকে অনুসরণ করুন















