ফিলিপিনো শ্রমিকরা আটকা: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন ফিলিপাইনের ৪০ হাজারেরও বেশি অভিবাসী শ্রমিক। বিমান চলাচল সীমিত হওয়ায় তারা কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারছেন না। বিস্তারিত জানুন।
ম্যানিলার রিক্রুটিং এজেন্সিতে ভিড়: মধ্যপ্রাচ্যগামী বিমানের সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে ফিলিপিনো শ্রমিকরা আটকা পড়ার খবরটি এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে। ‘ফিলিপাইন ডেইলি স্টার’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল, লেবানন ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করতে যাওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ৪০ হাজার ফিলিপিনো কর্মী এখন দেশ ছাড়তে পারছেন না। সংঘাতের কারণে নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যাওয়ায় নতুন ভিসা পাওয়া শ্রমিক এবং ছুটিতে আসা পুরাতন কর্মীরা সবাই আটকা পড়েছেন। অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই ফিলিপিনো শ্রমিকরা আটকা থাকার নেতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
বর্তমানে ফিলিপিনো শ্রমিকরা আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাদের একটি বড় অংশ ম্যানিলার অস্থায়ী আবাসন কেন্দ্রগুলোতে দিন কাটাচ্ছেন, আবার অনেকে নিরাশ হয়ে গ্রামে ফিরে গেছেন। যারা ঋণ নিয়ে বা জমি বিক্রি করে বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকারে। ফিলিপাইন সরকার ইতোমধ্যেই যুদ্ধকবলিত এলাকা থেকে ৪ হাজারের বেশি নাগরিককে ফিরিয়ে এনেছে। বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ফিলিপিনো মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত আছেন, যাদের সিংহভাগই উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থান করছেন।
রেমিট্যান্স প্রবাহে ধসের আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা
এই ফিলিপিনো শ্রমিকরা আটকা পড়ার ঘটনায় ফিলিপাইনের অর্থনীতিতে বড় ধরণের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল এই দেশটিতে যদি শ্রমিক পাঠানো বন্ধ থাকে, তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়বে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধস নামবে। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট এবং এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন আমাদের আন্তর্জাতিক সংবাদ বিভাগ এবং নিয়মিত ভিডিও খবরের জন্য যুক্ত হন আমাদের ইউটিউব কমিউনিটি লিংকে।















