যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজিত জনতা পুলিশকে মারধর করে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। এই হামলায় এসআইসহ তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
কেশবপুর থানা পুলিশ তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায়। আসামিকে নিয়ে ফেরার সময় মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ বলে গুজব ছড়ানো হয়। এই মিথ্যা ঘোষণার পর ৫০-৬০ জন লোক জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়।
হামলায় আহতদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে থানা সূত্র নিশ্চিত করেছে। হামলার সময় জনতা পুলিশের হেফাজত থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এতে এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।
তবে ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ পুনরায় অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক জাহাঙ্গীর আলমকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আটক করা হয়। পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুজব ছড়িয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া এখন চলমান রয়েছে।















